বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় চট্টগ্রামে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল অনুষ্ঠিত এ সভায় চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক কার্যক্রম, দলীয় কর্মকাণ্ডের সমন্বয় এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিজ নিজ এলাকায় দলীয় কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি মো. ওয়াদুদ ভূঁইয়া। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন এ সভায়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএমপির জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গ্রুপের জেনারেল সেক্রেটারি পার্থ বড়ুয়া বলেন, “দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি দলীয় কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।
সভায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু প্রবীণ চন্দ্র চাকমা বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় বাড়ানোর মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।”
যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মালেক মিন্টু বলেন, “দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
কোষাধ্যক্ষ মো. মোফিজুর রহমান সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে শৃঙ্খলা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “দলীয় কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে প্রত্যেক নেতাকর্মীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা নেতাদের মধ্যে ছিলেন—মো. আবদুর রব রাজা (সাংগঠনিক সম্পাদক), বাবু ক্ষণী রঞ্জন (সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত) এবং মো. আবু তালেব (সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত)।
সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা নেতারা নিজ নিজ এলাকায় দলীয় কার্যক্রম আরও সক্রিয় করা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
