গৌরনদীতে অবাধে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ জাটকা

লেখক:
প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৫:১১

গৌরনদী প্রতিনিধি : বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজের অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ জাটকা ইলিশ।

প্রভাব শালীদের ছত্রছায়ায় এসব জাটকা অবাধেই বিক্রি করছেন হাট বাজারে মাছ ব্যবসায়ীরা। উজেলার সাটি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে এসব জাটকা মাছ বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে টরকী বন্দর, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন গৌরনদী উজেলার পৌর এলাকার টরকী নীল খোলা মহাসড়ক সংলগ্ন পানের হাটে, বার্থী বাজার, ভাল্লুকসী বাজার, বাটাজোজোর, শরীকল, খাঞ্জাপুর বাজার, তুলাতলা, মাহিলাড়া বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ জাটকা ইলিশ।

প্রতি বছর পহেলা নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ৮ মাস সারা দেশে জাটকা ধরা নিষেধ। এটার জন্য প্রতিবছর আমাদের কোনো নোটিশ বা গেজেটের প্রয়োজন হয় না। তবে কেন কেউ মানছে না। জাল ফেলা হচ্ছে নদীতে সেই মাছ বিক্রি হচ্ছে ছোট বড় বিভিন্ন হাট-বাজারে।

গৌরনদী উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্য মতে প্রায় ২ হাজার ২শত জন জেলে নদীতে মাছ শিকার করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন।

জাটকা অভিজানের বিষয় গৌরনদী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবুল বাশার বলেন যারা নদীতে জাটকা শিকার করে তাদের আমরা প্রায় ১লাখ ৫শত মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছি এবং ৩৯টি অভিযান ও ১৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩১ হাজার টাকা জরিমান করেছি এবং দোষীদের ১২মামলা দিয়েছি। তবে এর পরও যদি কেউ জাটকা শিকার বা বিক্রি করে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় জাটকা ধরা নিষেধের সময় ভিজিএফ কার্ডের (চাল) পাওয়ার কথা। কিন্তু এখনও কেউ ভিজিএফ কার্ডের (চাল) পায়নি এমন অভিযোগ করেছে অনেক জেলে পরিবার। তবে এ অভিযোগের এবিষয় মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার জানান যে, ৪৬.৬৮ মেট্টিক টন চাল এসেছে ওই চাল আমরা কয়েক দিনের মধ্যেই সুবিধা ভোগীদের