মারা গেলেন অতিরিক্ত ডিআইজির বুয়েটপড়ুয়া মেয়ে

লেখক:
প্রকাশ: ১ মার্চ ২০২৪, ৩:২০

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : বেইলি রোডের গ্রিন কজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়ে মারা গেছেন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি নাসিরুল ইসলাম নাসিরের বড় মেয়ে লামিশা ইসলাম। দুই মেয়ের মধ্যে লামিশা বড়। ২০১৮ সালে অসুস্থতাজনিত কারণে মারা যান স্ত্রী। দুই কন্যাসন্তানের কথা চিন্তা করে পুলিশের এই কর্মকর্তা আর বিয়েও করেননি।

লামিশা স্কুল-কলেজ পেরিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন বাংলাদেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ বুয়েটে। মেধাবী এ শিক্ষার্থীর জীবন হঠাৎ থমকে গেল বেইলি রোডের আগুনে।

মেয়ের মৃত্যুর খবরে বাবা পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং-১) নাসিরুল ইসলাম হয়ে পড়েছেন বাকরুদ্ধ। তার সহকর্মীরাও শোকে বিহ্বল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহকর্মীদের অনেকেই।

জানা গেছে, ২০১৮ সালে নাসিরুল ইসলামের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দুই কন্যাসন্তানের দিকে তাকিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেননি। সন্তানদের নিয়ে থাকতেন রমনার পুলিশ কমপ্লেক্সে। কন্যাদের মানুষের মতো মানুষ করতে মায়ের ভূমিকা পালন করতেন বাবা। স্বপ্ন ছিল কন্যারা বাবাকে ছাড়িয়ে যাবেন পৌঁছাবে অনন্য উচ্চতায়। বড় মেয়ে সেই পথেই হাঁটছিলেন। বুয়েটের কেমিকৌশল বিভাগে ভর্তিও হয়েছিলেন। কিন্তু আগুন মুহূর্তেই কেড়ে নিলো লামিশার প্রাণ।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছিলেন, আমাদের একজন সহকর্মীর মেয়ে মারা গেছেন। সেই মেয়েটিই নিহত লামিশা ইসলাম।

মিনের সঙ্গে ওই ভবনের একটি রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলেন। আগুনে দুজনই মারা গেছেন।