আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাবেক বিডিআর বিদ্রোহে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আর যেন না ঘটে। দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)। দেশমাতৃকা রক্ষায় সদা জাগ্রত তারা। তাই বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই তাদেরকে।
সোমবার (৪ মার্চ) বাহিনীর সদর দফতর পিলখানায় ‘বিজিবি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
দেশে অগ্নিসন্ত্রাস প্রতিরোধেও ভূমিকা রেখেছে বিজিবি, মানুষের আস্থা অর্জন করেছে তারা-এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,
জাতির পিতাকে হত্যার পর সীমান্ত অধিকার কিংবা সমুদ্রের অধিকার নিয়ে কোনো সরকারই কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার, ক্ষমতায় আসার পর সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন করে, শান্তিপূর্ণ উপায়ে ছিটমহল বিনিময়ে বিশ্বে নজির তৈরি করে। সীমান্ত অধিকার আদায় করেছে। আর বিজিবি তা রক্ষা করে চলেছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর দেয়া স্বাধীনতার ঘোষণা যেভাবে সারা দেশে পৌঁছে দেয় ইপিআর, (বিজিবির ওই সময়কার নাম) পিলখানায় সেই কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় নারী সৈনিকদের প্যারেডের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেয়েরা অনেক স্মার্ট, নারী সৈনিকদের দক্ষতায় আমি মুগ্ধ।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় বিজিবি সদর দফতরে বীরউত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন৷ তিনি আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে, এবার ৪ ক্যাটাগরিতে পদকপ্রাপ্ত ৭২ বিজিবি সদস্যকে পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।
