নেত্রকোনা, জেলা প্রতিনিধি : উদ্ধারের পর সদর হাসপাতালে ধর্ষণ সংক্রান্ত ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদলাতে জবানবন্দির পাঠানো হয়।
পরে আদালতের বিচারক ওই স্কুলছাত্রীকে তারা বাবার জিম্মায় দেন।
গত মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) জেলা পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত সোমবার সকালে রাজুরবাজার এলাকায় রাস্তা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। পরে সোমবার সন্ধ্যার দিকে জবানবন্দি দেয়ার পর আদালতের বিচারক ওই স্কুলছাত্রীকে তারা বাবার জিম্মায় দেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।
উপজেলার লেংগুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৭ বছরের ওই স্কুলছাত্রী এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তিনি পাঁচটি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার পর অপহৃত হন বলে জানায় পিবিআই।
ওই ছাত্রীর পরিবার ও পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কলমাকান্দার লেংগুরা এলাকা থেকে ওই ছাত্রী অপহরণ হয়। পরে ছাত্রীর বাবা গত ৪ মার্চ নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ৩জনকে আসামি করে পিটিশন মামলা করেন। ট্রাইব্যূনাল এই মামলাটি তদন্তের ভার দেয় জেলা পিবিআইকে।
জেলা পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক ফারুক হোসেন জানান, অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধারের পর ধর্ষণ সংক্রান্ত পরীক্ষার জন্যে হাসপাতালে ও পরে জবানবন্দি প্রদানের জন্যে আদালতে পাঠানো হয়।
মামলার বরাতে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে কলমাকান্দার ফুলবাড়ি গ্রামের বাড়ি থেকে ওই ছাত্রীকে কয়েক ব্যক্তি জোর পূর্বক মোটরসাইকেলে চড়িয়ে নিয়ে যায়। পরে ওই শিক্ষার্থীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালত থেকে মামলাটির তদন্তভার পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও নানা সোর্স ব্যবহার করে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালানো হয়। পরে সোমবার সকালে রাজুরবাজার এলাকায় রাস্তা থেকে ছাত্রীটিকে উদ্ধার করা হয়।
সোমবার সন্ধ্যার দিকে জবানবন্দি দেয়ার পর আদালতের বিচারক ওই স্কুলছাত্রীকে তারা বাবার জিম্মায় দেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।
