চুল পড়ার দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান বিশেষ বীজের পানীয়

লেখক:
প্রকাশ: ৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৪

বর্ষায় চুল ভালো রাখার কৌশল লুকিয়ে আছে সঠিক পুষ্টিতে। আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন ‘ই’সহ বেশ কিছু ভিটামিন এবং খনিজ চুলের বৃদ্ধিতে অত্যন্ত জরুরি।

সঠিক পুষ্টি ভেতর থেকে চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। বিশেষ এক বীজেই রয়েছে এমন পু্ষ্টিগুণ, যা চুলের একাধিক সমস্যার মোকাবিলায় সক্ষম। আর এসব পুষ্টি উপাদানই মিলতে পারে হালিম বা অলিভ বীজে।

পরিবেশে আর্দ্রতার অভাব নেই। কিন্তু চুল যেন শনের নুড়ি— রুক্ষ ও শুষ্ক। সমস্যার এখানেই শেষ নয়। শ্যাম্পু করা হলে বা আঁচড়াতে গেলেই গোছা গোছা চুল উঠে আসছে। এমন সমস্যার সঙ্গে মিল পাচ্ছেন!

এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, ছোট ছোট, লালচে-বাদামি রঙের বীজের স্বাদ খানিকটা গোলমরিচের মতো। পুষ্টিগুণের ভাণ্ডার এ বীজ। ছোট্ট বীজটি রুক্ষ চুল, অ্যালোপেসিয়া, চুল ঝরে টাক পড়ে যাওয়ার সমস্যায় দারুণ কাজের হতে পারে। বীজটিতে রয়েছে আয়রন, ক্যালশিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন এ, সি ও ই। খাদ্যতালিকায় বীজটি জুড়ে দিলে এবং নিয়ম করে খেলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো হবে।

বর্ষা মানেই চুলের একাধিক সমস্যা। খুশকি, চুল পড়া ও ডগা ফাটা! সমস্যা যখন চুলে, সমাধানের পন্থা হওয়া উচিত তার পরিচর্যা করা। সে কারণেই চুলের প্রতি যত্নবান হয়েছেন? তবে কেশচর্চাশিল্পীরা বলছেন, যত্নের পরও চুলের সমস্যা যে কে সে-ই রয়ে যেতে পারে পুষ্টির অভাব হলে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে খেতে হবে বীজটি—

১/৪ চা-চামচ হালিম বীজ ৬-৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর প্রাতরাশের আগে এক কাপ দুধে বীজটি মিশিয়ে খাওয়া দরকার। তবে এর সঙ্গে যোগ করতে পারেন বাদাম। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত খাবার দিয়ে খেলেই পুষ্টিগুণ বেশি মিলবে। প্রাণিজ দুধ সহ্য না হলে কাঠবাদামের দুধ বা সয়া দুধ কিংবা টকদইয়ের ঘোলে মিশিয়েও বীজটি খাওয়া যেতে পারে। আর অলিভ বীজে যথেষ্ট পুষ্টিগুণ রয়েছে।

তবে একটি খাবারেই চুলের হাল ফিরবে, তা বলা চলে না। নিয়মিত কেশচর্চার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস এ ক্ষেত্রে অনুঘটকের কাজ করবে। শারীরচর্চার অভ্যাসও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে।