আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : বাংলাদেশ মায়ানমার সীমান্তের তুমব্রু রাইট ক্যাম্প ও ডেকুবুনিয়া ক্যাম্পে ব্যাপক গুলি বিনিময় ও বোমা বর্ষণ চলমান রয়েছে বিদ্রোহী গ্রুপ আরকান আর্মি ও মিয়ানমারের সরকারী বাহিনীর মধ্যে। শনিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্তে থেমে থেমে গুলি ও বোমা বর্ষণ অব্যাহত রয়ছে ।
এসময় বেশ কয়েকটি গুলি ও মটারশেল এসে পড়েছে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে তুমব্রু কোনার পাড়া, মাঝের পাড়া ও বাজার পাড়ায়।
এতে গুলিবিদ্ব হয়ে গুরুতরভাবে আহত হয়েছে ২ জন বাংলাদেশী ও কোনার পাড়ার কয়েকটি ঘর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আহত বাংলাদেশীরা হলেন, কোনার পাড়ার বাসিন্দা প্রবীন্দ্র ধর (৫০) ও রহমা বেগম( ৪০)।
আহতদের কুতুপালং শরনার্থী শিবিরের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এছাড়া, আতংকে ঘর ছেড়েছে ৩ গ্রামের হাজারো মানুষ।
এদিকে বিদ্রোহী গ্রুপের ব্যাপক গুলাগুলির কারনে টিকতে না পেরে মায়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ বিজিপির ৪০ জনেরও বেশি সদস্য বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আশ্রয় নিয়েছে তুমব্রু বিজিবি ক্যাম্পে। সীমান্ত পথে আরো ৩০ জনেরও বেশি বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে ডোকার জন্য অবস্থান নিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
শনিবার রাত ৩ টা থেকে ব্যাপক গুলি বর্ষনের পাশাপাশি, মটারশেল নিক্ষেপ ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর যুদ্ধ হেলিকপ্টার থেকে গুলা বর্ষন করছে। এতে সীমান্তের বাজার ঘাট বন্ধ রয়েছে। মিয়ানমারের তুমব্রু রাইট ক্যাম্পের চতুর্পাশে বিদ্রোহী গ্রুপ আরকান আর্মি ঘিরে রেখেছে এবং বর্ডার অবজারভেশন পোষ্ট বিদ্রোহী গ্রুপ আরকান আর্মি দখলে নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মায়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মির সাথে সে দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ চলছে। এ সংঘর্ষের জের ধরে গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও তুমব্রূ সীমান্তেও উত্তেজনা চলছে। মায়ানমারের বিদ্রোহীরা দখল করে নিয়েছে মায়ানমারের তুমব্রু ক্যাম্পটি।
